নিজস্ব প্রতিনিধি: গত ২১শে মে ২০১৬ইং রোজ শনিবার রাত ৯ ঘটিকায় কুয়েত সিটিস্থ গুলশান হোটেলে
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কুয়েত শাখার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদারের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েত আওয়ামীলীগের সভাপতি সেকান্দার আলী।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুয়েতের সভাপতি শেখ আকরামুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল আলম শফি, আওয়ামী পেশাজীবী লীগ কুয়েত শাখার সভাপতি ও অগ্রদৃষ্টি অনলাইন টিভির মহাপরিচালক রাশেদ মোশাররফ পাঠান, জাতীয় শ্রমিকলীগ কুয়েত শাখার সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ, আওয়ামীলীগ কুয়েত শাখার সাবেক সভাপতি ফয়েজ কামাল, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুয়েত শাখার সাধারণ সম্পাদক মইন উদ্দিন মইন,স্বেচ্ছাসেবক লীগ কুয়েত শাখার সহ সভাপতি সামছুল আলম, আওয়ামীলীগ কুয়েত -হাসাবিয়া শাখার সভাপতি শেখ ছবেদ আলী, সিলেট লেখক ফোরামের সভাপতি কবি আব্দুল মালিক প্রমুখ।
বক্তব্য রাখেন, আওয়ামীলীগ কুয়েত শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ নেওয়াজ নজরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক এস,এম আহাদ, ফয়েজ কামাল, সামছুল আলম, শেখ ছবেদ আলী, শেখ আকরামুজ্জামান প্রমুখ।
সভার শুরুতেই পবিত্র কোরান থেকে তেলাওয়াত করেন কবি আব্দুল মালিক।
এদিকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দরা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক দালালদের চক্রান্তে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। সে সময় তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। ‘৭৫ পরবর্তী সামরিক সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে বাধা প্রদান করায় দীর্ঘদিন তাকে প্রবাসে কাটাতে হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি দেশে ফেরেন।শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের হৃদয় ছোঁয়া ভালোবাসার জবাবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য তিনি দেশে এসেছেন। তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।
কুয়েত আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে একসাথে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন বক্তব্য প্রদানকালে।
নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শেষে দোয়া পরিচালনা করেন কবি আব্দুল মালিক।
নৈশভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে।











